মেহেরপুরে ক্যাপসিকামের উজ্বল সম্ভাবনা দেখছে তরুন উদ্যোক্তা বেন ইয়ামিন মুক্ত

গোলাম মোস্তফা, মেহেরপুর প্রতিনিধি :মেহেরপুরে ক্যাপসিকামের উজ্বল সম্ভাবনা দেখছে তরুন উদ্যোক্তা বেন ইয়ামিন মুক্ত। জেলায় প্রথম বানিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকামের চাষ করে সাড়া ফেলেছে এই তরুন উদ্যোক্তা। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনে সফল হয়ে ভাল লাভের আশা করছে সে।
মেহেরপুর শহরের বিএডিসি পাড়ার শিক্ষিত যুবক বেন ইয়ামিন মুক্ত। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে নতুন কিছু করার প্রত্যয় নিয়ে দুই প্লটে এক বিঘা জমি নিয়ে চলতি বছরে পরিক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করেন ক্যাপসিকামের। আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে বেড তৈরী করে আবাদ করেছে ক্যাপসিকামের। এখন গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে সবুজ ক্যাপসিকামের। ইতোমধ্যে বিক্রিও শুরু করেছেন তিনি। এক বিঘা জমিতে সে এক লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রির আশা করছেন। নিবিড় পরিচর্যা ও সময়মত ওষুধ প্রয়োগ করতে পারলে এ সবজির চাষ জেলায় সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তবে প্রয়োজন আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদিত ক্যাপসিক্যাম বাজার নিশ্চিত করা। তার এই সফলতাই অনেকেই এগিয়ে আসছেন ক্যাপসিকাম চাষে।
শহরের ফাস্ট ফুড হোটেল লাভোগের মালিক একেএম আনোয়ারুল হক কালু জানান, এলাকায় চাষ না হওয়ায় ক্যাপসিকাম ঢাকা থেকে সংগ্রহ করতে হয়। এখন এলাকায় হচ্ছে তাই সবজিটি কিনতে পারছি। যেহেতু পরিবহন খরচ লাগছেনা। ক্রেতাদেরও কম দামে খাওয়াতে পারছি।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খান জানান, প্রচুর পুষ্টিগুন আছে বিদেশি এ সবজিটিতে। এর চাষ বাড়াতে পারলে এলাকার পুষ্টি চাহিদা পুরনের পাশাপাশি চাষীরাও লাভবান হবে। ক্যাপসিকাম চাষটা যাতে জেলায় সম্প্রসারিত হয় তার জন্য মাঠ পর্যায়ে চাষীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *