দর্শনা অফিসঃ চুয়াডাঙ্গা সদর বেগমপুরের বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর দেহভোগ করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার আবু সাঈদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বেগমপুরের যদুপুর গ্রামের উত্তরপাড়ায়।দেহভোগের ফলে গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্বা হয়ে পড়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা ও জবানবন্ধি রেকর্ড এবং অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।এ ঘটনায় অন্তঃসত্বা কিশোরীর পরিবার অভিযুক্ত প্রেমিক ধর্ষকের নামে থানায় দায়ের করেছে মামলা। মামলার অভিযুক্ত আসামী আবু সাঈদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।ঘটনার বিবরনে জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের ঝাঝরী গ্রামের উত্তরপাড়ার ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক কিশোরীর কন্যার (১২) সাথে ১ বছর পূর্বে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে তোলে একই পাড়ার হাশেম আলীর কলেজ পড়ুয়া ছেলে আবু সাঈদ (২১) এর সাথে। এরপর থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নানা সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করে।এতে করে ওই ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। কৌশলে ধর্ষক অন্তঃসত্বার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালায়। সেই সাথে গোপনে গ্রাম্য সালিশীর মাধ্য ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ারও অপচেষ্টা চালায়। ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা হওয়ায় পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে কোন ডাক্তার ঝুকি নিতে রাজি হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে দর্শনা থানায় ধর্ষক আবু সাঈদের নামে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান কাজলের নির্দেশে বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশ ছদ্নবেশে গ্রামের মাঠ থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে ওইদিনই দর্শনা থানায় সোপর্দ করেন।থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান কাজল বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। আজ (শুক্রবার) আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা ও জবানবন্ধি রেকর্ড এবং অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এদিকে ধর্ষক তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অপর দিকে গ্রামবাসি অভিযুক্তর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *