বেগমপুরের উজলপুরে মুদি ব্যবসার আড়ালে পিতা-পুত্রর গাঁজা ব্যবসা


দর্শনা অফিসঃ বেগমপুরের উজলপুরে মুদি ব্যবসার আড়ালে পিতা-পুত্রর মাদক ব্যবসা রমরমা চালিয়ে যাচ্ছে।তারা নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসেই দিন-রাত চালিয়ে যায় গাঁজা বিকিকিনি। সন্ধা নামলেই গ্রামে গাঁজার ধোঁয়ায় অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে আদালত হতে জামিনে কারামুক্ত হয়ে গ্রামে ফিরেই পুরোনো পেশায়।

এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে,চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর বিলপাড়ার শমসের আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম ও ছেলে আব্বাস আলী নিজ বসতবাড়ির সাথে একটি মুদি দোকান খুলে বসেছে। এই মুদি দোকানের আড়ালে রয়েছে তাদের রয়েছে মাদক নামের গাঁজার ব্যবসা। আর এই দোকানের আড়ালে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে গাঁজা বিক্রি। সন্ধ্যা নামলেই বাড়ির সামনে বিলের ধারে বসে গাঁজা সেবনকারীদের আড্ডাখানা। সেই আড্ডাখানায় একাধিকবার চুয়াডাঙ্গা পুলিশ-প্রশাসন অভিযান চালালেও আগেভাগে পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে সেবনকারীরা দেয় গাঁ-ঢাকা। যে কারণে সেবনকারী ও ব্যবসায়ীকে ধরতে ব্যর্থ হলেও শেষ,মেষ গাঁজা পাচার করে গ্রামে নেওয়ার সময় পিতা-পুত্র পুলিশের খাঁচায় বন্দি হয়ে আদালতের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা কারাগারের চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে যায়। পরবর্তীতে আইনের-ফাঁক ফোকরের  মাধ্যমে জামিনে ফেরে বাড়ি। আর বাড়ি ফিরেই পুরোনো পেশা সেই গাঁজার ব্যবসা।
সূত্রে জানা যায়, এই গাঁজার জোগান দিয়ে থাকে একই ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া ঈদগাঁহ পাড়ার
সিরফানের ছেলে সাইরুল।তাই বিষয়টি প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কমনা সহ মাদক ব্যবসায়ীদেরকে গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় নেওয়ার দাবী জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৬ অক্টবর বুধবার রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এএসআই আশরাফুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দর্শনা-কোটালী আঞ্চলিক সড়কের শৈলমারী মোড় নামক স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৪শ” গ্রাম গাঁজা হাফিজুল ইসলাম (৪৫) ও ছেলে আব্বাস আলীকে (২২) গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদেরকে দর্শনা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে আসামীদেরকে থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করে।