ফলো আপ
গাংনীর তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যানের খুঁটির জোর কোথায় !
যার বিরুদ্ধে ইউনিয়নবাসীর অভিযোগের পাহাড়

গাংনী অফিস:গাংনী উপজেলার ২ নং তেঁতুলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের খুঁটির জোর কোথায়? যার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার বিশেষ প্রকল্প গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগসহ ইউনিয়নবাসীর অভিযোগের পাহাড় জমে গেছে। কে এই চেয়ারম্যান ! যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।একবার নয় দুইবার নয় তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের সাধারন সদস্য ও মহিলা সদস্যবৃন্দ একসাথে (১০ জন মেম্বর) নানা অনিয়মের কারন দেখিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব লিখিতভাবে অভিযোগ দিলেও অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে দ্াবী করেন ভুক্তভোগীরা
সরকারী ঘর নির্মাণে উপকার ভোগীর নিকট থেকে ১৯ হাজার টাকা ও ২ ব্যাগ সিমেন্ট নেয়ার অনিয়ম-দুনর্ীতির অভিযোগে সরেজমিনে উপজেলার করমদি কুমারপাড়া গ্রামের আ্ব্দুল বারীর বাড়িতে গেলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।ইতোমধ্যেই আব্দুল বারীর স্ত্রী স্াধনা খাতুন স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র জেলা প্রশাসক মহোদয় ছাড়াও বিভিন্ন দপ্তর বরাবর দাখিল করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, তেঁতুলবাড়িয়া ইউপির প্রায় সব গ্রামেই ঘর নিমার্ণে অর্থ বাণিজ্য করা হয়েছ্।ে এছাড়াও একই পাড়ার সাহারুলের বাড়িতে পূর্বে থেকে ব্যক্তিগত খরচে টিউবওয়েল স্থাপন করা থাকলেও চেয়ারম্যান স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর নেম প্লেট বসিয়ে সরকারী টিউবওয়েল বলে এলজিএসপির প্রকল্প বলে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেন গ্রাম বাসী।
নাম প্রকাশে পরিষদের একজন মহিলা মেম্বর জানান, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর কত অভিযোগ দেবো।বিগত পঁাচ বছর ধরে প্রশাসনের কাছে নানা অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। চেয়ারম্যান তার কাছের ২/১ জন মেম্বরদের নিয়ে পরিষদে বসে।আমাদের কখনও ডাকে না।এলজিএসপি প্রকল্প গ্রহন করতে কোন মেম্বরকে না নিয়ে ঘরে বসে প্রকল্পের পিআইসি করে রেজুলেশন করে নিজেই যেন তেন ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে টাকা আত্মসাৎ করে।

তিনি আরও বলেন,সম্প্রতি সরকারের শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণে আত্মীয়করণ করা হয়েছে।নাম মাত্র কয়েকজনকে দিয়ে সবগুলো কম্বল বিএনপির দলীয় লোকজনকে বিতরণ করেছে।প্রকৃত দুস্থ অসহায় লোকজনকে সাহায্য সহযোগিতা না করে দলীয় লোকজনকে করেছে।বয়স্ক ,বিধবা, প্রতিবন্ধীভাতা প্রদানে কার্ড করে দেয়ার নামে জনপ্রতি ৫থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। ২০২০ সালের সম্মানীভাতা আমাদের দেয়নি।ইতোপূর্বে একজন মহিলা মেম্বরের সাথে অশালীন কথাবাতার্ এবং কুপ্রস্তাব দেয়ার মত অভিযোগ করেও কোন বিচার পাইনি।

অনিয়ম দুর্নীতির খবর সরাসরি অনলাইন টিভি পোর্টালে প্রকাশ করা হলে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচতে পরদিন উৎকোচ নেয়া টাকা ফেরত দিতে গোপনে দেনদরবার করছে বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে এনিয়ে সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক অনিয়ম দৃর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা অভিযোগকারীদের।

এব্যাপারে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ কারর চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।