★স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ডাকে যেমন জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো আসুন আমরা তেমনভাবে দলকে ঐক্যবদ্ধ করি- এমপি ছেলুন

★খুনী জিয়াউর রহমান ঠান্ডা মাথার খুনী- এমপি টগর

সুস্থির আজাদ ও মেহেদী হাসান মিলন: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদাহ আটকবর স্মৃতি কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা ইউনিটির আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫ আগষ্ট স্থানীয় শহীদ দিবস পালন পতাকা উত্তোলন, শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে  জাতীয় পতাকা, মুক্তিযোদ্ধা পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা ০১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য চুয়াডাঙ্গা জেলা আ’লীগের সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক দক্ষিণ পশ্চিম রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি সাথে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ০২ আসনের  মাননীয় সংসদ সদস্য চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী আলী আজগর টগর।
মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মুনিরা পারভীন, সাথে ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান। কালো পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, সাথে ছিলেন সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার  বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম।


পতাকা উত্তোলন শেষে আটকবর শহীদ বেদীতে চুয়াডাঙ্গা ০১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলু, চুয়াডাঙ্গা ০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাজী আলী আগর টগর, জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মুনিরা পারভীন, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক, কনক কুমার (হেডকোয়ার্টাস), চুয়াডাঙ্গা, দামুড়হুদা সার্কেল এএসপি জাহাঙ্গীর, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ খালেক, দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান কাজল।


চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন ও প্যানেরল মেয়র-১ সুলতানারা আঞ্জু রত্না, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন এর পক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু, ইউএনও দিলারা রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ, চুয়াডাঙ্গা জেলা আ’লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা, জেলা ইউনিট কমান্ড, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা চুয়াডাঙ্গা, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর পক্ষে সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মন্জু, চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগ এর পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বৃন্দসহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ এর পক্ষে সাধারণ সম্পাদক নুরনাহার কাকুলী, নাবিলা রুকসানা ছন্দা, শাহাজাদী মিলি, রীনা,জেলা শ্রমিক লীগের পক্ষে সভাপতি আফজালুল হক, সাধারণ সম্পাদক রিপন মন্ডল, জেলা যুবলীগের পক্ষে সাবেক আহবায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, আব্দুল কাদের, রাসেদুজ্জামান বাকী, সিরাজুল ইসলাম আসমান। চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক ও সহ-সভাপতি শাহবুল হোসেন। দামুরহুদা উপজেলা যুবলীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক হযরত আলি, দামুড়হুদা শাখা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা কমান্ড দামুড়হুদা, ২নং নতিপোতা ইউনিয়ন পরিষদ, নতিপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ লীগ, নাটুদাহ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানো হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ৫ আগষ্টের সে দিনের স্মৃতিচারণ করেন আট শহীদের সাথে গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা বর্তমানে একমাত্র বেঁচে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলী আজগর ফটিক।

 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি তাঁর বক্তব্য বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে যেমন জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো; তেমনি আসুন আমরা সকলে মিলে দলকে ঐক্যবদ্ধ করি। এখন পুরো দেশে ২৫০টি এর বেশী ভূইফোঁড় সংগঠন তৈরী হয়েছে। যাদের নামের সাথে লীগ যোগ করা হয়েছে। এসব ধান্দাবাজরা ইচ্ছেমত সংগঠন খুলে সংগঠনের নামের সাথে লীগ যোগ করে নানান অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। ইতিমধ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন-  দলের ভিতর দল, অমুক লীগ, তমুক লীগ, ছেলুন লীগ, টগর লীগ এসব লীগ চলবে না। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সু সংগঠিত করতে হবে। সুবিধাবাধী এসব ধান্দাবাজদের দুর্দিনে হারিকেন জ্বালিয়েও  খুঁজে পাওয়া যাবে না। ২০০১ সালের পরে দামুড়হুদায় কঠিন অত্যাচার হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের উপর ষ্টিম রোলার চালিয়েছিলো জামায়াত বিএনপির ক্যাডাররা। আজও সেই ষড়যন্ত্র থেমে নেই। পাশ্ববর্তী দেশ  ভারত আমাদের অকৃত্তিম বন্ধু। সেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশে সফরে আসে তখন জামায়াতের সহযোগী হেফাজতের নেতারা মাঠে ছিলো জামায়াতের মদদে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আবারও দেশকে পিছনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় সত্ত ছিলো। ৫ আগষ্ট, ১৫ আগষ্ট, ২১ আগষ্ট যেমন ষড়যন্ত্র হয়েছে; তেমনি আজও সে ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। আমাদের সকলকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন সে ত্যাগ স্বীকার করা। জাতীর পিতাকে হত্যার পর কিভাবে সত্য ইতিহাস মুছে দেওয়া যায় তার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো সে সময়। আমাদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। সব সময় সজাগ থাকতে হবে। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। সেই সাথে সাংগঠনিক ভীত মজবুত করতে হবে। জাতীর পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা রাত দিন কাজ করে দেশে মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করছেন। সংগঠন শক্তিশালী করার মাধ্যমে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তাঁর হাতকে শক্তিশালি করতে হবে। শহীদদের আত্মার শান্তি দিতে হবে। পাকিস্থানের রাজাকার, আলবদর, আলসামস দের কারণে তারা জীবন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। সেই প্রেত্মাতারা যাতে সফল হতে না পারে সেজন্য সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা ০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগর টগর বলেন, খুনী জিয়াউর রহমান ছিলেন ঠান্ডা মাথার খুনী। ১৫ আগষ্ট জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে তারা চেয়েছিলো দেশকে পাকিস্থান বানাতে। জাতীর পিতা হত্যার বিচার যাতে না হয় সেজন্য তারা জাতীয় সংসদে আইন পাশ করেছিলো। তাদের সেসব ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি সফল হয় নি। আজকে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। জাতীর পিতার হত্যাকারীদের বিচার হচ্ছে। কিছু কুলাঙ্গার পলাতক থাকলেও তাদের দেশে আনার পক্রিয়া চলছে। ৫ আগষ্ট স্থানীয় শহীদ দিবস। শহীদরা দেশের জন্য তাঁদের বুকের তাজা পবিত্র রক্ত দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। আমাদের সেই শহীদদের আত্মা যাতে শান্তি পাই সে লক্ষে কাজ করতে হবে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নান এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌর সভার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, চুয়াডাঙ্গা পৌর সভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, চুয়াডাঙ্গা জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান লিটু, দপ্তর সম্পাদক অ্যাড: আবু তালেব, আরশাদ উদ্দিন আহমেদ চন্দন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক নুরুল ইসলাম মালিক,  চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আঃ মান্নান নান্নু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, সাধারণ সম্পাদক সাবেক জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান মঞ্জু, দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আফজালুল হক, যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের, সহ-সভাপতি শাহাবুল হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম-সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফারুক আরিফ, নবগঠিত মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী বিশ্বজিত কুমার শাহ, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, আলুকদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগেরর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মোমিনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি নিপুল মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক আল মাহামুদ রতন, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন মন্ডল, যুগ্ম-সম্পাদক নজরুল ইসলাম কেতু, শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম, আব্দুল মোমিন, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম আসমান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রসিদ, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক  হযরত, করিম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রুবাইত বিন আজাদ সুস্থির, দর্শনা পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অপু সরকার, জেলা পরিষদের সদস্য শফিউল কবির ইউসুফ, জাফর, জেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরন্নাহার কাকলি, নাবিলা রুকছানাছন্দা, শাহজাদি মিলি, শেফালী বেগম রীনা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি টোকন মিস্ত্রী, চুয়াডাঙ্গা জেলা ট্রাঙ্ক লরি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ। নাটুদাহ ইউপি চেয়ারম্যান শফিউদ্দীন শফি, নতিপোতা ইউপি চেয়ারম্যান ইয়ামিন, চেয়ারম্যান জাকেরিয়া আলম, সাবেক চেয়ারম্যান আ’আজিজ, জেলা জাসদ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, দামুড়হুদা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আঃ কাদির, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক নজীর আহমেদ, আঃ সালাম বিশ্বাস, শহীদ বিশ্বাস, আঃ মালেক, কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাফিউদ্দীন টুটুল, আ’লীগ নেতা তরিকুল ইসলাম তারিক, নাটুদাহ ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা সাংবাদিক আঃ সালাম, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শরীফ রতন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান মিলন। নাটুদাহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা লিমন, লিজন শেখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস।