তিতুদহ প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত গড়াইটুপি ইউনিয়নের গবর গাড়া গ্রামে উজ্জ্বল টেলিকম এর ব‍‍্যাবসায় প্রতিষ্টানে অর্তকৃত হামলা ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগ একই গ্রামের মৃত রঞ্জু বেপারীর ছেলে জহির উদ্দিন সহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে । পুলিশের হেল্প ডেস্ক কল করে জানানোর পর দর্শনা থানার তদন্ত ওসি মাহবুব রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
হামলার বিষয়ে উজ্জ্বল টেলিকমের স্বত্বাধিকারী উজ্জ্বল জানান গত বুদবার সন্ধ্যায় আমার দোকানে গবর গাড়া গ্রামের মৃত রঞ্জু ব‍্যাপারির ছেলে জহিরুদদিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মোবাইলের চার্য পয়েন্টের সমস্যা নিয়ে আসলে আমি মোবাইল দেখে বলি খরছ ১৬০ টাকা লাগবে কিন্তু সে বলে ১০০ টাকা দিবে আমি ঐ টাকায় মোবাইল মেরামত করতে না চাইলে আমায় অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে আমি নিষেধ করলে আমায় হুমকি ধামকি দেওয়া সহ মারতে আসলে আমি আত্মরক্ষার জন্য হাতে থাকা তাতাল দিয়ে আঘাত করতে গেলে তার মাথায় হালকা কেটে গেলে আমি তার কাছে ক্ষমা চাই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বাবা আমাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে একি গ্রামের ডাক্তার সালাম,তাজ,রাজিব, করিম, আওয়াল,সজিব,সহ অনেক দলবল নিয়ে আমায় আক্রমণ করার উদদেশ‍্য লাটিসোটা নিয়ে আসে ও আমায় অকথ‍্য ভাষায় গালিগালাজ সহ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে স্থানীয় ও তিতুদহ ক‍্যামপের টু আই সি ফারুকের সহযোগিতায় আমি প্রানে বেচে যাই। পরে টু আই সি ফারুক ক‍্যামপে বসে মিমাংসা করার কথা বললে আমি রাজি হই। পরে আনুমানিক রাত ১ : ৩০ এর দিকে আমার বাসায় হটাৎ দুর্বৃত্তরা হামলা করে আমার বাসার আসবাবপত্র ও অফিস ভাংচুর করে আমার ক‍্যাশে থাকা ১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘরের ভিতর আমায় ও আমার পরিবারকে আটকিয়ে রাখে। আমি চিৎকার দিয়ে প্রতিবেশিকে ডাকাডাকি করলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি সহ ঘরে আগুন জালিয়ে দেওয়ার কথা বললে আমরা ভয়ে কাউকে ডাকতে পারি নাই। পরে প্রতিবেশিরা এসে বাইরে থেকে ছিটকানি খুলে আমাদের বাহিরে বের করে। আমি প্রশাষনকে অবহিত করলে রাত আনুমানিক ২: ৩০ এর দিকে দর্শনা থানার তদন্ত ওসি মাহবুব রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও ন‍্যায় বিচারের আশ্বাস দেন। কাউকে চিনতে পারার বিষয়ে জানতে চাইলে উজ্জলের বাবা শুকুর আলী আমাদের জানায় সে তাদের কথা শুনে কয়েকজনকে চিনতে পারছে তারা হল মৃত খালেক শিকদারের ছেলে আব্দুস সালাম, আওয়াল প্রফেসার, জব্বারের ছেলে রাজিব, সালাম ডাক্তারের ছেলে তাজকে, তারা চিনতে পারছে। 
এ বিষয়ে জহির উদ্দিন এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি তবে তার পরিবারের লোকজন বলেন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সাথে আমরা কেউ যুক্ত নয় তারা জিতার জন্য নিজেদের বাসায় নিজেরা ভাঙচুর করে আমাদের উপর দোষারোপ করতেছে আমরা এই বিষয়টা তদন্ত চাই অপরাধী যারা হোক না কেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।
স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা বলেন সন্ধ্যাবেলায় ছোটখাটো একটা বিষয় নিয়া কথা কাটাকাটি হয় ও তার এক পর্যায়ে দলবল নিয়ে জহির উদ্দিন এর পরিবারের লোকজন উজ্জল এর উপর হামলা করতে আসে। পরে প্রশাসন ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাতে কারা হামলা করছে তারা কিছুই জানেনা। চিৎকার শুনে উজ্জলের বাসায় গিয়ে দেখে তাদের ঘরের দরজা বাহির থেকে বন্ধ করা। 
এ বিষয়ে দর্শনা থানার তদন্ত ওসি মাহবুবুর রহমান জানায় তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তারা দেখতে পান অফিস ভাঙচুর ও বাসার দরজা ভাঙা। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসলে কি কোন দুর্বৃত্তরা বাড়িতে হামলা করছে না তারা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য নিজেদের বাসায় নিজেরা ভাঙচুর করে প্রশাসনকে জানায় সবকিছু সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।