ষ্টাফ রিপোর্টারঃ আলমডাঙ্গা পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষে দলীয় মনোনয়নের আবেদন পত্র জমা না নেয়ায় পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র প্রার্থী সামসাদ রানু।
গতকাল সোমবার বিকেল ৪ টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আলমডাঙ্গা পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র ও জেলা কৃষকলীগের মহিলা সম্পাদিকা এবং পৌর নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী সামসাদ রানু বলেন,আমি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে অংশগ্রহণে দলীয় প্রতিক ও মনোনয়নের জন্য আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমানের কাছে আবেদন পত্র  জমা দিতে দলীয় অফিসে যায়।এসময় তারা আমার আবেদনপত্র জমা নেয়া যাবেনা বলে জানায়।এসময় কি কারনে জমা নেয়া হবে না এবিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন,এটা আওয়ামীলীগের অফিস এখানে কৃষকলীগের কারো আবেদন পত্র জমা নেয়া হবে না। 
সামসাদ রানু ওরফে রাঙা ভাবি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, আমি পৌর সভার প্যানেল মেয়র হওয়ার কারনে বর্তমান মেয়র হাসান কাদির গনুর বিভিন্ন অপকর্ম জানতে পারি এবং সেগুলো সোস্যাল মিডিয়ায় দেয়ার ফলে সে আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সাথে যোগসাজোস ও ষড়যন্ত্র করে আমার দলীয় মনোনয়নের আবেদন পত্র জমা নেই নি।আমি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপ কামনা করছি। কৃষকলীগ করায় আমার দলীয় মনোনয়নের আবেদন কেন জমা নেয়া হলো না আমি এর বিচার চাই।এদিকে সামসাদ রানুর সাংবাদিক সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মতিয়ার রহমান ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সামসাদ রানুর উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।বাংলাদশ আওয়ামীলীগ  সংগঠনের একটা গঠনতন্ত্র আছে, শৃঙ্খলা আছে। আমরা গত ৪ ডিসেম্বর স্থানীয় আঞ্চলিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলাম । বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ০৪ টা পযন্ত মেয়র পদের আবেদন গ্রহণ করা হয়।ওই দিন সাত জন মেয়র প্রাথী হিসেবে পৌর আওয়ামীলীগ এর কাছে আবেদন করে।কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরদিন আলমডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাপ্ত ৭ জনের আবেদন আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগ এর কাছে পাঠায়। কিন্ত তিনি নির্ধারিত সময়ে আবেদন জমা  না দিয়ে পরদিন জমা দিতে আসেন। যা নিয়ম বহির্ভূত।এখন তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন।