দর্শনা অফিসঃ দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে পৌরসভার উন্নয়ন ড্রেন নির্মান কাজ চলছে। এ কাজে চাঁদা না পেয়ে নিয়োজিত শ্রমিকদের বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করেছে চাঁদাবাঁজেরা। এতে আহত হয়েছেন দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে আজিবার রহমান (৪৫), মদনা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আকবার আলী (৬০), আলিহিমের ছেলে রেজাউল ইসলাম (২৬), পারকৃষ্ণপুর গ্রামের আকবার আলীর ছেলে ইসরাফিল হোসেন (৪২), দর্শনা পৌর এলাকার রামনগর গ্রামের শ্রী চরণের ছেলে বিজয় (২২) সহ আরও ৮/৯ জন শ্রমিক আহত হয়। আহত শ্রমিকেরা জানান, গতকাল বুধবার দুপুর আড়াই টার দিকে দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের গোরস্থান পাড়ায় ড্রেন নিমার্নের কাজ করছিলাম। এসময় গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন ছেলে মিলন (২৫), ও মৃত ওভির ছেলে আরাফাত (৪৫) ও মৃত আশকার আলীর ছেলে আবুল কাশেম (৪৮) সহ ১০/১২ জন আমাদের লাঠি ও ইট দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেছে। তারা কয়েকদিন ধরে আমাদের কাছে চাঁদা ও কাজের সিডিউল চাই।আমরা মিস্ত্রী টাকা বা সিডিউল কোথায় পাবো। যদি টাকা বা সিডিউল নিতে হয় তাহলে কনন্ট্রাকটরের কাছ হতে নিতে হবে। আমরা এসব জানিনা। এরপর আমার কাছে ২ হাজার টাকা চাই এবং বলে লুঙ্গি খোল তোর খোটে টাকা আছে। এরপর আমি লুঙ্গী খুলে ঝাড়া দিলে লেবারদের জন্য আমার কাছে থাকা বেশ কিছু টাকা ছিল সেগুলো নিয়ে নেয়। এছাড়া সহকারী লেবার সরদার আহত আজিবার রহমান এর নিকট থাকা দুই দিনের লেবারের ৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে জানান। এদিকে ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের হেতো ছেলে জনি (২৩) গত কয়েকদিন আগে ডাক্তারের নিকট যাওয়ার সময় তার কাছে থাকা ৫৪০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে একই গ্রামের ওভির ছেলে আরাফাত মদ খায়। এ নিয়ে গ্রামে বেশ বাক-বিতন্ডা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে পুলিশ আবুল কাশেম নামের এক জনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে হেড মিস্ত্রী ইসরাফিল হোসেনসহ ৫ জন বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে গতকাল বুধবার বিকালে দর্শনা থানায় একটি অভিযোগ করেছে বলে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ জানান। তিনি আরও বলেন, এরা মদ খেয়ে মাতলামী করছিল এ অবস্থায় তাদের মারধর করেছে।