জীবননগর অফিস: সরকারী বিধিনিষেধ অমান্য করে লকডাউনের মধ্যে জনসমাগম করে বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির ভ্রাম্যমাণ আদালত। মূহুর্তের মধ্যে বরযাত্রী কনে ফেলে বিয়ের আসর থেকে উধাও। অবশেষে আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আমিনুল ইসলাম বিয়ে বন্ধ করে কনের বাবাকে জরিমানা করেন। গতকাল বুধবার বিকাল ৪ টার সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এ ঘটনা ঘটে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতিতে দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। এরই মধ্যে জীবননগর পৌর এলাকার লক্ষ্মীপুরে সাবেক পৌর কাউন্সিলর খন্দকার আলী আজম তার বাড়ীতে জাঁকজমকভাবে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বিয়ে বাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ে ফেলে সবাই পালিয়ে যায়। আদালতের বিচারক কানের বাবা কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও বিয়ে বন্ধ করে দেন।
স্থানীয়রা জানান, লকডাউনের মধ্যে আলী আজম তার মেয়েকে জীবননগর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক শহিদুল ইসলামের ছেলে নাসিমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ের আয়োজন করে। বুধবার দুপুরে বর ও অর্ধশতাধিক বরযাত্রী মোটরসাইকেল নিয়ে হাজির হয় কনের বাড়িতে। বিয়ের অনুষ্ঠান শুরুর মুহুর্তে ঠিক এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হলে সকলে পালিয়ে যায়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতিতে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ জনসমাবেশ হয় এধরনের সামাজিক বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি, ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। সরকারী বিধি-নিষেধ অমান্য করে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।