জাহাঙ্গীর হত্যাকান্ড নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রতিবাদ বিবৃতি


বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান, সদস্য আজাদ আলী ও সদস্য হাফিজুর রহমান হাফু স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বির্নিমাণের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। বর্তমান সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ^ দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু কন্যা ও রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বরাবরের মতো সঙ্গী হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। শেখ ফজলে শাম্স পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিলের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে যুবলীগ আজ একটি সুসংগঠিত সংগঠন ও ঐক্যবদ্ধ। তারই ধারাবাহিকতায় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ আজ সারা চুয়াডাঙ্গা জেলায় যুব ও তরুণ সমাজকে নিয়ে সংগঠিত। চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে পরিশ্রম করছেন জেলার পরিচ্ছন্ন তরুণ রাজনীতিবিদ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার ও যুগ্ম আহ্বয়ক জননেতা জিল্লুর রহমান। নঈম হাসান জোয়ার্দ্দারের নেত্বতে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ যখন জেলার যুবসমাজকে সাথে নিয়ে উন্নয়ন অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের অর্জিত সকল অর্জন ধূলিৎসাৎ করার অপপ্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময় নানাবিধ চক্রান্ত চলছে। সেই চক্রান্ত্রের অংশ হিসেবেই গত ২৪ মার্চ ২০২১ তারিখে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের কেরুজ ফার্ম সংলগ্ন স্থানে চিত্রানদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের দু’পক্ষের বিরোধে সৃষ্ট মারামারীতে নিহত হন তিতুদহ ইউনিয়নের নুরুল্লাপুর গ্রামের রনজিত মল্লিকের ছেলে জাহাঙ্গীর। এই হত্যাকা-কে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গার একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল রাজনৈতিক সুবিধা নেয়ার জন্য ওই ঘটনাকে বন্দুক হিসেবে ব্যবহার করে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়ার জন্যই গ্রাম্য পর্যায়ের বিরোধীয় ঘটনাকে রাজনৈতিক তকমা লাগিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার যুবসমাজের নয়নের মনি জেলা যুবলীগের সফল আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দারকে ১নং আসামি করে মামলা দেয়া হয়েছে বলে আমরা বিশ্বস্তসূত্রে জানতে পেরেছি। অন্যদিকে ওই হত্যাকা- নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার অংশ হিসেবে হত্যাকা-ের শিকার জাহাঙ্গীরের লাশ নিয়ে জেলা শহরে প্রতিবাদ মিছিলে জেলা যুবলীগ ও আহ্বায়কের নাম উল্লেখপূর্বক অকথ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়। মিছিলে যুবলীগ যেখানে গুলি করো সেখানে, বোমা মারো সেখানে এ স্লোগান সাধারণ জনগণের কাছে আ.লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের দলীয় কার্যালয়ে ২৫/০৩/২০২১ তারিখ সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ কর্তৃক এক প্রতিবাদসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদসভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারের হত্যাকা-ের ঘটনায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের নামে মামলা ও যুবলীগকে জড়িয়ে মিছিলের তৃীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদসভায় বক্তরা জানান, ঘটনার দিন চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। মামলার এজাহারে নঈম হাসান জোয়ার্দ্দারের হুকুমে হত্যাকা- সংঘঠিত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে তিনি উপস্থিতিই ছিলেন না, সেখানে তিনি কিভাবে হুকুম দিলেন তা বোধগম্য নয়। মূলত এই হত্যাকা-কে পুঁজি করে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জেলা যুবলীগ ওই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে।