আলমডাঙ্গা অফিস : আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ মদন বাবুর মোড় থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার দীর্ঘদিনের দূর্ভোগ লাঘব হতে চলেছে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদের মহতি উদ্যোগে যান জটের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ। এ বিষয়ে এমপি বাসভবনে ও জেহাহালা বাজারেও রাস্তার পাশের জমির মালিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা গেছে,আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ মদনবাবুর মোড় থেকে রেল গেট পর্যন্ত রাস্তাটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে যানজটের কবলে নাকাল হয়ে আসছে বাস ট্রাকসহ অসংখ্য যানবাহন। নিত্য দিনের এই দুর্ভোগে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন ্এ্ই রাস্Íা দিয়ে চলাচল করা হাজার হাজার মানুষ।এ দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এটা লাঘবে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এদিকে আলমডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী কয়েক মাস ধরে চেষ্টা করছিলেন রাস্তার এই যান জট কিভাবে নিরসের করা যায়। তিনি একাধিক বার মুন্সিগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেন। আলোচনা করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের সাথে।

অবশেষে এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। এ বিষয়ে গত শনিবার এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন জোয়ার্দ্দারের বাসায় মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় । মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী, জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রোকন,আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজ সেবক মকবুলার রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পুলক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ি শ্যামসুন্দর আগরওয়ালা, ক্যাবল মিয়া।বৈঠকে রাস্তার পাশের জমির মালিক মকবুলার রহমান ও শ্যামসুন্দর আগরওয়ালার। তারা উভয়েই জনগনের সুবিধার্থে রাস্তা প্রসস্থ করার বিষয়ে জমি দেবার কথা ঘোষনা করেন।

পরে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেহালা মোড়ে এমপি ছেলূন জোয়ার্দ্দার এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসসায়ীদের সাথে মত বিনিময় করেন। জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম রোকন বলেন,রাস্তার বর্ধিত করণ বিষয়ে আবারো একটি বৈঠক করা হবে। সেখানে রাস্তার প্রকৌশলীসহ সবাই উপস্থিত থাকবেন।