স্টাফ রিপোর্টার : চুয়াডাঙ্গা পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেছেন‘ পৌরসভা নির্বাচন স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আপনাকে প্রার্থীর যোগ্যতা ও দক্ষতা সম্পর্কে জানতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সে কতটুকু জানে সেটা জানতে হবে। প্রথম শ্রেণীর এ পৌরসভার ওজন আছে। ৭০ হাজার ভোটার এবং দেড় লাখের মানুষের বসবাস এ পৌরসভায়। যে এ ভার বইতে পারবে তাকে নির্বাচিত করতে হবে। সে যে দলেরই হোক।’ গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় ডিসি কোর্ট চত্বরে জেলা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মেয়র প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার এসব কথা বলেন।
চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন হেলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপদেষ্ঠা অধ্যাপক (অব.) এসএম ইস্রাফিল, জেলা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান অধ্যাপক (অব.) আব্দুর রহমান ও সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ ও সাবেক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান ও জেলা পরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম শাহান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন মো. সামসুল হক। এসময় মরহুম সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও ১মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মো. আব্দুল মান্না।
সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার আরো বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ২০/২২ বছর যাবত বেওয়ারিশ লাশ গ্রহন করে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ি দাফন কাজ সম্পন্ন করে আসছি। এটা সামাজিকতা। সমাজ, মানুষ ও শহর নিয়ে চিন্তা করি। সেই মানুষটার পাশে আপনাদের থাকতে হবে। বাড়ির অভিভাবকদের কাছে থেকে শিখেছি মানুষকে সম্মান জানাতে হবে। ভালবাসতে হবে। নতুন চাঁদ উঠলে আমার পিতা খিচুরি পাকাতেন। সাধারণ মানুষকে খাওয়াতেন। ছেলুন ভাই ও আমি রাজনীতি করি। ৩ ভাই করে না। তবে,তাঁরাও আওয়ামী পরিবারেই সদস্য। মানুষের চোখের ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করে দিই । তাঁর দোয়া আকাশ ছোঁয়া। আমাদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ড করে বিরোধী দল ও দলের অভ্যন্তরে কিছু ব্যক্তি। যে কাজ করে তাকে সাইড করে দাও। সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের জন্য প্রত্যেকটা ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছিয়েছে। রাস্তা করে দিয়েছেন। রাতবাহিনীর অভয়ারণ্য ছিলো একসময় চুয়াডাঙ্গা। ছেলুন ভাই সংসদ সদস্য হওয়াার পর কেউ ক্রসফায়ারে , কেউ দেশের বাইরে এবং কেউ জেলখানায় গিয়েছে। এখন মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চারতলা ভবন দিয়েছেন প্রথানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। আগামী দিনে নির্বাচনে আপনাদের সহায়তা পেলে ,পাশে থাকলে আমি উৎড়িয়ে যাবো। আপনাদের কাছে প্রত্যাশা করছি। পৌরসভার নাগরিক সেবা ভালো হলে সেখানে মানুষ যাবে। একজন ভালো মানুষকে নির্বাচিত করে এগিয়ে দেবেন সেই প্রত্যাশা করছি। আপনাদের কাছে, পরিবারের কাছে ও আত্মীয় স্বজনদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি।