স্টাফ রিপোর্টার : চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ কর্তৃক মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের ১৭৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ২৬ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম , জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক আজাদ মালিতা, শাহ আলম সনি বক্তব্য রাখেন।অন্যান্যের মধ্যে জেলা পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম শাহান ও নুরুন্নাহার কাকলি, অভিভাবক আতিকুর রহমান, শিক্ষার্থী সানজিদা খাতুন ও আব্দুল্লাহ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সি আবু সাইফ।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সাজিয়া আফরিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেগণ, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মৌসুমী আক্তার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, হিসাবরক্ষক আসলাম উদ্দিন, জেলা পরিষদ সদস্য মাফলুকাতুর রহমান সাজু, খলিলুর রহমান, জহুরুল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমান নান্নু, শফিউল কবিরসহ জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, চাকরী করার জন্য পড়ালেখা করা ঠিক নয়। পড়ালেখা করে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলো যোগ্য লোক খুঁজে নেয়। মনোযোগ সহকারে নিজেকে তৈরী করতে হবে। লক্ষ্য স্থির করতে হবে। কোথায় তুমি যেতে চাও। তোমার লক্ষ্যটা সুন্দর হোক। জাতির পিতার জন্য বাংলাদেশ পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর ২০০৮ সালের দিনবদলের সনদ দিয়েছিলেন। এখন সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ। তোমাদের নেতৃত্বে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে। এটাই আমি আশা করি। যারা বৃত্তি পেয়েছো তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শিক্ষাক্ষেত্রে বৃত্তি অবদান রাখবে সেটাই লক্ষ্য। করোনা মহামারীর দ্বিতীয় টেউ আসছে। সেকারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং সকলকে বিষয়টি জানাতে হবে। নো মাস্ক, নো সার্ভিস।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদিন বলেন, জেলা পরিষদের সামর্থ অনুযায়ি ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করছি। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা হয়। এটি ক্ষুদ্র অর্থ। তারমধ্যে অর্থ আছে। এছাড়া তোমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি পাচ্ছো। এটা তার অভিভাবকদের কাছে অনেক কিছু। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন নিয়ে কাজ করি। যারা জাতির পিতাকে মানেনা। তাঁরা বাংলাদেশকে মানে না। স্বপ্নের দেশ বানাবো। জাতিকে গড়ে তোলার জন্য মেধার কোন বিকল্প নেই। চাকরীর জন্য কেউ ঘুরো না।
জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, চাকরী আমি খুঁজবোনা। চাকরী আমাকে খুঁজবে।মানুষ জাতি কথা না শুনার জাতি। কথা শুনার জন্য মহান আল্লাহ নবী-রাসুল পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।