চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার

তোমাদের ভিতর সাহস থাকতে হবে এবং প্রতিবাদি হতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী-২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০ টায় কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতাপাঠ করা হয়। জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, মেহনত ও পরিশ্রম করলে সবকিছু পাওয়া সম্ভব। লেখাপড়ার পাশাপাশি পৃথিবীকে জানা জন্য, পৃথিবীর মানচিত্রটাকে ভালোভাবে জানান জন্য এবং সর্বপ্রথম তোমার নিজের দেশটাকে জানার জন্য স্কুলের পাঠ্যবইয়ের বাইরেও লেখাপড়া করতে হবে। শুধু পুথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত হয়ে কোন লাভ হবে না। আউট নলেজ থাকতে হবে। জ্ঞান অর্জন করার জন্য ক্লাসের বই ছাড়াও ইতিহাস জানার চেষ্টা করতে হবে। দেশ গড়ার কাজে নিজেদের তৈরী করতে হবে। বাঙ্গালীরা আজকে যা চিন্তা করে ভারতবর্ষ তা পারের দিন চিন্তা করে। তোমাদের ভিতর সাহস থাকতে হবে এবং প্রতিবাদি হতে হবে। আমাদের ভিতর এই আমিত্যকে দুর করতে হবে। আমাদের ভিতর দেশপ্রেম থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু এই বাঙালীদের কথা চিন্তা করেছেন। আজ তিনি বাঙালীজাতির কথা চিন্তা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জীবনের বেশিরভাগ সময় জেলে কাটাতে হয়েছে।


চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মুন্সী আবু সাঈফের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নান, কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ উজ্জামান প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দর টোটন, মুক্তিযোদ্ধার সাবেক মকান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন, জেলা প্রশাসনের নেজারাত ডেপুটি কালেক্টর আমজাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।