স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন মাদকসেবীর কারাদন্ড প্রদাণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক দুটি অভিযানে তাদেরকে গাঁজাসহ আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ কারাদন্ড প্রদাণ করা হয়। সেই সাথে অর্থদন্ডেও দন্ডীত করা হয়। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের পৌর কলেজপাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে সাব্বির হোসেন (২১) ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জাফরপুর স্টেডিয়ামপাড়ার আলা মোল্লার ছেলে রসুল মোল্লা (২৮)।সাজাপ্রাপ্তদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার বেলা ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমানে নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ ও সহকারি উপ পরিদর্শক আকবর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বিভিন্নস্থানে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় শহরের পুরাতন বাস টার্মিলান বিএডিসি মোড় এলাকা থেকে সাব্বির হোসেনকে ১৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়।
পরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাব্বির হোসেনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করেন।
এদিকে, গতকাল বেলা ৫ টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একই টিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শহরের বিভিন্নস্থানে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় সদর হাসপাতাল সড়কের ডিজিটাল মোড় থেকে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ রসুল মোল্লাকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফিরোজ হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্র নিয়ন্ত্রণ আইনে রসুল মোল্লাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২শ’ টাকা জরিমানা করেন।
সাজাপ্রাপ্তদের গতকালই জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আটককৃতরা প্রত্যেকে মাকদসেবী। তাদেরকে আটকের পর কারাদন্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চসহকারি ছিলেন পেশকার আব্দুল লতিফ।