চুয়াডাঙ্গায় বেপরোয়া প্রাইভেট কারের ধাক্কায় একই পরিবারের চার জন জখমের ঘটনায়
গুরুতর জখম জোসনা খাতুনের বাম পা কেটে ফেলা হয়েছে


স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় বেপরোয়া গতির প্রাইভেট কারের ধাক্কায় গুরুতর জখম জোসনা খাতুনের বাম পা হাটুর নীচ থেকে কেটে দাব দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার শ্যামলিতে অবস্থিত ট্রমা সেন্টারে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে জোসনা খাতুনের পা কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যরা জানান, অনেক চেষ্টার পরও জোসনা খাতুনের পায়ের অস্ত্রপচারে সফল চিকিৎসা করতে পারেনি সেখানকার চিকিৎসকরা।
এদিকে, এ দুর্ঘটরায় গেল ১৩ এপ্রিল রাতে ডা. জেড এম রওশন আমিন রতনকে আসামী করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন গুরুতর জখম জোসনা খাতুনের বড়বোন মুসলিমা খাতুন। এখন পর্যন্ত মামলার আসামী ডা. রতনকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মামলাসূত্রে জানাযায়, গত ১২ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কালুপোল গ্রামের মশিউর রহমান (৪৬), তার স্ত্রী জোসনা খাতুন(৪০), মেয়ে মাইশি রহমান মিশি (১১) ও ছেলে জাকারিয়া হোসেন (৪) তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে জাফরপুর বনবিভাগের অদূরে দাড়িয়ে ছিলো। এ সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে সরোজগঞ্জ অভিমূখে যাওয়া একটি দ্রুত গতির প্রাইভেট কার উল্টো পথে যেয়ে ওই মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর জখম হয় একই পরিবারের ওই চার সদস্য। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার শ্যামলীর ট্রমা সেন্টারে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে জোসনা খাতুনের বাম পা হাটুর নীচ থেকে কেটে বাদ দেয়া হয়েছে।

এঘটনায় ১৩ তারিখ রাতে গুরুতর জখম জোসনা খাতুনের বড়বোন মুসলিমা খাতুন বাদী হয়ে প্রাইভেট কার চালক চুয়াডাঙ্গা থানা কাউন্সিলপাড়ার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে রওশন আমিন রতনকে আসামী করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ডা. রতনকে এখনও পর্যন্ত আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই শামীম হাসান জানান, জাফরপুরে দ্রুত গতির প্রাইভেট কারের ধাক্কায় একই পরিবারের চার সদস্য গুরুতর জখমের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।