চুয়াডাঙ্গায় জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির জরুরী সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার


স্টাফ রিপোর্টার: কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১১ জুন থেকে আবারো দেশে ফিরবেন ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশীরা। এজন্য জেলার সব ক’টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়া দামুড়হুদা উপজেলা সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ওই এলাকার সকল পশুহাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একইসাথে সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদারসহ সংক্রমিত এলাকায় করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় যাতায়ত নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরী সভায় এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘জেলার চারটি উপজেলার মধ্যে সম্প্রতি দামুড়হুার সীমান্ত এলাকায় করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু হার বেড়েছে। এজন্য উপজেলার ডুগডুগি ও নাটুদহ পশু হাটগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সাথে ামুড়হুা উপজেলার সকল পর্যটনকেন্দ্রও বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংক্রমিত এলাকার চায়ের দোকান পুরোপুরিভাবে বন্ধ রাখার জন্যও নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়ত নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। আংশিক লকডাউনে নেয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগীতায় ওইসব গ্রামের প্রবেশমুখে ব্যারিকেড দেয়া হচ্ছে। এছাড়া চুল কারাখানাগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। একইসাথে সীমান্ত এলাকা বিজিবি টহল জোরদারের জন্যও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, পৌর মেয়র জাহাঙ্গির আলম মালিক খোকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান, জীববনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনিম লিংকন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বেগম ইসরাত জাহান, সহকারী কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রমুখ।