চুয়াডাঙ্গায় জাতির পিতার প্রতি নিবেদিত আবৃত্তি অনুষ্ঠান
নিজে কবিতা আবৃত্তি করে সকলকে মুগ্ধ করলেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার


আহসান আলম: চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ‘নির্মলেন্দু গুণের’ কবিতা আবৃত্তি করে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুললেন। কবিতা আবৃত্তির সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে নেমে এসেছিলো পিনপতন নীরবতা। সকলেই যেন ডুবে গিয়েছিলেন জেলা প্রশাসকের কণ্ঠে আবৃত্তি করা সেই কবিতার মাঝে। কবিতা আবৃত্তি করে নিজে তৃপ্তি পেয়েছেন, সেই সাথে তৃপ্ত করেছেন অনুষ্ঠানে আগত শ্রোতাদের। মুজিব শতবর্ষে জাতির পিতার প্রতি নিবেদিত আবৃত্তি অনুষ্ঠান এক যোগে সকল জেলার ন্যায় চুয়াডাঙ্গাতেও অনুষ্ঠিত হয়। মুজিববর্ষ জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির ওয়ার্কিং কমিটির আয়োজনে এবং বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সহযোগিতায় গতকাল বেলা ৫ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক আব্দুল মোহিতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে লালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন শুধু ত্যাগই করে গেছেন। তিনি কখনও নিজের কথা ভাবেননি ভাবেননি তার পরিবারের কথা। তিনি সবসময় বাঙ্গালী জাতির কথা ভেবেছেন। তিনি দেখেছেন এদেশের মানুষের শোষন ও অত্যাচার। বাঙ্গালী জাতিকে শোষন ও অত্যাচার থেকে রক্ষা করতে তিনি আজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু মনে-প্রাণে এদেশের মানুষকে ভালোবেসেছেন।
মনোয়ারা খুশির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কুমার দাস, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মালিকসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে একই মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়। কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা আবৃত্তি করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এ সময় কবিতা আবৃত্তি করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও জেলা কালচারাল অফিসার হাবিবুর রহমান, কবিতা আবৃত্তি করেন কবি আব্দুস সালাম, হীরন উর রশিদ শান্ত, আহসান কবীর, মঈনুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান আরিফসহ আরও অনেকে। রাতে একই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পিরা।