দর্শনা অফিসঃ চুয়াডাঙ্গার তিতুদহ প্রতিবন্ধী স্কুলের দৃস্টি প্রতিবন্ধি এক ছাত্রী দু’মাসের  অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়েছে। পেটের সন্তান নষ্ট ও মুখ না খােলার শর্তসাপেক্ষ স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেকের মাধ্যমে রফা করে নিয়েছে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক কামাল উদ্দীন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় টপ অফ দ্যা ভিলেজে পরিণত হয়েছে। মিমাংসার বিষয়টি ফাঁস হওয়ার ভয়ে বর্তমানে মেয়েটিকে রাখা হয়েছে লােক চক্ষুর আড়ালে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজলার তিতুদহ ইউনিয়নর তিতুদহ প্রতিবন্ধী স্কুলের জনৈক্য দৃস্টি প্রতিবন্ধী এক মেয়ে (২৫) একই স্কুলের শিক্ষক কামাল উদ্দীন কর্তৃক দু’মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে গ্রামে কানাঘুষা শুরু হলে তিতুদহ গ্রামের কামাল উদ্দিন অন্তঃস্বত্তা হওয়ার ব্যাপারটি নিশ্চিত হতে বুধবার তার এক নিকট আত্মীয়র দিয়ে সরোজগঞ্জ বিআরএম (প্রাঃ) হসপিটাল এণ্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ওই মেয়ের আল্ট্রাসনােগ্রাম করায়। ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পক্ষ থেকে আল্ট্রাসনােগ্রাম করে রিপাের্ট দেয় মেয়েটি ৮ সপ্তাহর বেশি অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়েছে। প্যাথলজিষ্টির রিপাের্ট করা জানাজানি হয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে ওই শিক্ষক। অবস্থা বেগতিক বুঝে শুক্রবার ঘটনা ধামাচাপা দিতে পেটের সন্তান নষ্ট এবং মুখে শর্ত সাপেক্ষ স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেকের বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসা করে নেয় ওই শিক্ষক। প্রতিবন্ধী মেয়ে অন্তঃস্বত্তা হওয়ার গুঞ্জণ নিয়ে টপ অফ দ্যা ভিলেজে পরিনত হয়েছে। অনকেই মন্তব্য করে বলেছেন, প্রতিবন্ধী মেয়ের ইজ্জতের মূল্য মাত্র ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর গর্ভের সন্তানের পরিণতি কি হবে? এবিষয়ে দৃস্টি প্রতিবন্ধির ভাই জানান, ও পাগলি মানুষ ওকে নিয়ে কি করবো বুঝতে পারছিনে। তাই ঘটনাটি মিমাংশা করে নিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *