স্টাফ রিপোর্টার: ওএমএস’র ২৭ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা স্কুলপাড়ার আব্দুস সামাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে। ওএমএস’র ডিলার জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য আজাদ আলীর।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার হওয়া চালগুলো তারই আপন চাচাতো ভাই আব্দুস সামাদের বাড়িতে রাখে। গতকাল রাতে গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ সেখান থেকে ওই চালগুলো উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আব্দুস সামাদকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত আব্দুস সামাদ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা স্কুলপাড়ার মৃত সোনা শেখের ছেলে।
আব্দুস সামাদ বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে আমার বাড়িতে চালগুলো রেখে যায় আমার চাচাতো ভাই আজাদ আলী। বলে চালগুলো তোমার বাড়িতে রাখ ৪/৫ দিন পর নিয়ে যাবো।

এ ব্যপারে ওএমএস’র ডিলার আজাদ আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, চালগুলো আমার বাড়িতে থাকলেও সেখানে রাখা নিরাপদ না। সে কারনে আমি ২৭ বস্তা চাল আমার চাচাতো ভাই আব্দুস সামাদের বাড়িতে রেখে দিই।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশের একটি টিম বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুস সামাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার ঘর থেকে সরকারি ওএমএস’র ২৭ বস্তা চাল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আব্দুস সামাদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুস সামাদ জানান, আজাদ আলী তার বাড়িতে চালগুলো রেখে যায়। প্রকৃত ঘটনা আমরা তদন্ত করে দেখছি। সুনিদৃষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য সরকারি বরাদ্দ চাউল বিক্রির ডিলার আজাদ জেলা যুবলীগের সদস্য। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহব্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আজাদ রাজনীতিতে তেমন একটা থাকেন না। শুনেছি অসুস্থ। যে ব্যক্তিই হোক, দোষ কররে তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কোন নির্দোষ ব্যাক্তি কোন চক্রান্তের শিকার হচ্ছেন কিনা তাও আমাদের দেখতে হবে। এ জন্যই ঘটনার আশু তদন্ত আশা করি।