তিতুদহ প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত গড়াইটুপি ইউনিয়নের সুজায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব‍্যাপক অনিয়মের অভিযোগ অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করতে সরজমিনে তদন্তে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু তালেব। জানা গেছে গত ৮ই নভেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান তার ভাই মেহেরপুরের বারাদীর একটি এনজিও তে চাকুরীরত আতিয়ার রহমান কে গোপনীয়ভাবে সভাপতি হিসাবে দ্বায়িক্ত দেন। এনিয়ে সুজায়েতপুর গ্রামের সূধীমহল বিষয়টি মানতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। স্থানীয় সুত্র জানাগেছে সুজায়েতপুর গ্রামের সাবেক মেম্বর মহিউদ্দীন বিগত কয়েক বছর যাবত অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির দ্বায়িক্ত পালন করে আসছে। তবে কয়েকমাস পূর্বে কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও মহামারি করোনা ভাইরাসের জন্য নতুন কমিটি গঠনে বাঁধা পড়ে থাকে। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপনে তার নিজের ভাইকে বে-আইনিভাবে সভাপতি হিসাবে দ্বায়িক্ত দেন। এবিষয়ে সভাপতি মহিউদ্দীন বলেন কাউকে না জানিয়ে ৩ মার্চে ৪ জন অভিভাবক বিদ্যুৎসাহী সদস্য ও ৮ নভেম্বর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করে। বিষয়ে ১০ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন সভাপতি মহিউদ্দীন। অভিযোগের সূত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের কথা বার্তায় নতুন কমিটি তৈরিতে সরকারি নীতিমালা অমান্য করার প্রমান মিলেছে। নীতিমালা অনুযায়ী বিদুৎসাহী সদস্যকে এসএসসি সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং প্রধান শিক্ষক কতৃক অনুমোদন করা প্রায় সকলেই ৫ম শ্রেনী উত্তীর্ণ । এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন সুজায়েতপুর গ্রামে সভাপতি হওয়ার মত যোগ‍্য কেউ না থাকায় আমি আমার ভায়ের আছে দ্বায়িক্ত দিয়েছি।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আবু তালেব জানান সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন যে অভিযোগ করেছে তদন্তে তার সত্যতা পাওয়া গেছে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান তা স্বীকার করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।