স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গা সদর থানা এলাকাসহ চুয়াডাঙ্গার  বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া, চুরি হয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল এবং বিকাশ থেকে টাকা চুরি হওয়ার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সময় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় জিডি করে। এসব জিডির বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অবস্থা বিবেচনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করে সদর থানায় কর্মরত চৌকস অফিসার এসআই শামীম হাসান কে দায়িত্ব দেন। এসআই শামীম হাসান এসব চুরি ও হারিয়ে যাওয়া জিডি তদন্তকালে মোট ১০ টি মোবাইল উদ্ধারসহ বিকাশ থেকে মিসিং হওয়া নগদ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার  বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে প্রকৃত মালিকের নিকট উদ্ধারকৃত মোবাইল এবং নগদ টাকা হস্তান্তর করা হয়। 
উল্লেখ্য যে, উদ্ধারকৃত মোবাইলের মধ্যে একটি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল সংক্রান্তে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়ার পর ওই মোবাইলটি যার কাছে ছিলো সে সহ তার সহযোগীরা সাধারণ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদেরকে জিম্মি করে ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে। ইতিমধ্যে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সুতরাং মোবাইল হারিয়ে যাওয়া নিছক কোন খেলার বিষয় নয়। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইল এবং সিম অপরাধীরা ব্যবহার করে  অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটালে তার দায়দায়িত্ব কিছুটা আপনাকেও বহন করতে হবে যদি না আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ওই মোবাইলের মালিক তিন মাস আগে মেহেরপুর সদর থানায় তার হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জিডি করেছিলেন। বিধায় তিনি এ যাত্রায় হয়রানির হাত থেকে বেঁচে যান। সকলকে এ বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।  যাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেয়া হলো তারা হলেন রাজিব রায়হান, খাজা উদ্দিন, দোস্ত মোহাম্মদ, রাফিদ, সুজন আহমেদ, তৌহিদুল ইসলাম, টিপু সুলতান, জাকির, মশিম উদ্দীন, মিরাজ এবং বিকাশের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া টাকা ফেরত পেলেন এরশাদ।