স্টাফ রিপোর্টার: করোনাকালে স্বাস্থবিধি মেনে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ৭ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল সোমবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড। এ সময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দঁাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাদিয়া পারভীন, এনডিসি আমজাদ হোসেন, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু হোসেন, নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযেদ্ধা গোলাম সারওয়ার সিদ্দিক বাবলু মাষ্টার প্রমুখ। পরে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দঁাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চুয়াডাঙ্গার ভূমিকা অন্যতম। সীমান্ত ঘেষা জেলা হওয়ার সুবাদে এখান থেকেই যুদ্ধ পরিচলানাসহ নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জেলার এসব স্মৃতি রক্ষার্থে নানা ধরনের স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। তবে এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু প্রত্যাশিত দাবি রয়েছে, সেসব দাবি পূরণে কাজ করছে জেলা প্রশাসন।
গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ৭ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে জেলা আওয়ামী যুবলীগ। এ উপলক্ষে গতকাল সোমবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে তারা। পরে, শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এ সময় জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার বলেন, অনেক ত্যাগ, তীতিক্ষা ও কষ্টের বিনিময়ে আমরা স্বাধিন রাষ্ট্র পেয়েছি। একে একে পুরো দেশকে পাক হানাদারবাহীনি মুক্ত করতে বুকের তাজা রক্ত দিয়েছেন বাঙালী জাতি। এদেশকে স্বাধিন করতে বীরঙ্গনাদের ত্যাগও কম নয়। বঙ্গবন্ধু সঠিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলেই আমরা স্বাধিন রাষ্ট্র পেয়েছি। চুয়াডাঙ্গাকে হানাদার বাহিনী মুক্ত করতেও অনেকে শহীদ হয়েছেন। তাদের সেই আত্মত্যাগকে আমরা ভুলতে পারিনা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সদস্য হাফিজুর রহমান হাপু, আজাদ আলী, সাজিদুর ইসলাম লাবলু, আলমগীর আজম খোকা প্রমুখ।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা দরূদ হাসান, শেখ শাহী, মাসুদুর রহমান মাসুম, আলী ইমরান শুভ, বিপ্লব হোসেন, জুয়েল জোয়ার্দ্দার, রামিম হাসান সৈকত, সোহেল সজিব, লোকমান, আলিম, বক্কর, হিরা, মুন্না, কবির, নোমান, বাচ্চুসহ আরও অনেকে।