পশ্চিমাঞ্চল স্পোর্টস ডেস্ক:করোনার কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। অনেক চেষ্টার পরও শ্রীলঙ্কার সফর স্থগিত হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে এখন জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজকেই টার্গেট করছে বিসিবি। ইতিমধ্যে উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলাপ করছে বিসিবি। ক্যারিবিয়ানরা কিছু তথ্যও জানতে চেয়েছে বিসিবির কাছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার প্রক্রিয়া হিসেবেই আগামী ১১ অক্টোবর তিন দলের বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ মাঠে গড়াচ্ছে। নভেম্বরে হবে পাঁচ দলের টি-২০ লিগ। করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদভাবে বাংলাদেশে ক্রিকেট আয়োজন সম্ভব—এই সক্ষমতা প্রমাণের চেষ্টায় রয়েছে বিসিবি। আগামী কয়েক মাসে দেশের অভ্যন্তরে আয়োজিত সব খেলাই হবে জানুয়ারির হোম সিরিজকে নিশ্চিত করার অংশ।
এফটিপির সূচি অনুযায়ী ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিনটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-২০ খেলার কথা রয়েছে টাইগারদের। উইন্ডিজ সিরিজ সম্পর্কে গতকাল বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত এফটিপি কমিটমেন্ট অনুসারেই আছে, আমাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। আমাদের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছে আমরা সেসব দিয়েছি।’

ওয়ানডে ফরম্যাটের বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ, টি-২০ লিগ দেশে ক্রিকেট ফেরানোর প্রচেষ্টার অংশ। বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘আরেকটা বিষয় আমাদের মাননীয় সভাপতি আগেই বলেছেন আমরা আস্তে আস্তে ক্রিকেটে ঢোকার চেষ্টা করছি। আমাদের যে পদক্ষেপগুলো আমরা সেভাবেই নিচ্ছি। আমরা প্রাথমিকভাবে আমাদের ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন এভেইলেবল করি। পরবর্তীকালে আমরা দলীয় অনুশীলন করি, ইতিমধ্যে কয়েকটি অনুশীলন ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। যদিও এটা খুবই সীমিত আকারে করা হয়েছে। এখন আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। তার অংশ হিসেবেই তিন দলীয় ওয়ানডে সিরিজটি আয়োজন করছি, বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ।’ সবপক্ষকেই এর মাধ্যমে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিসিবি। নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘এটা তো একটা বার্তা অবশ্যই। এটা একটা কমপ্লিট মেসেজ যে ক্রিকেটটা আস্তে আস্তে আমরা ফেরানোর চেষ্টা করছি এবং সেক্ষেত্রে যদি আমরা সফল হতে পারি সবার জন্যই এটা ভালো হবে।’

স্থগিত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ তথা ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটও দ্রুত শুরু করতে চায় বিসিবি। এই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘উদ্যোগ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। ক্লাব কর্মকর্তাদের অনেকের সঙ্গেই আমাদের কথা হয়েছে এবং এর বাইরে আমাদের সিসিডিএম তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আমাদেরও চেষ্টা থাকবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্লাব ক্রিকেটকেও ফিরিয়ে আনার।’