স্টাফ রিপোর্টার : আলমডাঙ্গার খাদিমপুর গ্রামের নিখোঁজ যুবক আলমগীর হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামী আটক শিপন আলী  আদালতে ১৬৪ ধারায়  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে । এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আরোও একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে পুলিশ নিহত আলমগীরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেছে।    আলমডাঙ্গা থানার অফিসার আলমগীর কবির জানান, খাদিমপুরের এ হত্যা ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী শিপন আলমডাঙ্গার আমলী আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সে জানিয়েছে সাকিবের পরিবারের সাথে আলমগীরের শত্রুতার  জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আলমগীর নিহত হলে তার লাশ সরিয়ে ফেলার জন্য শিপন, সাকিবসহ আরো কয়েক জন টেনে হিজড়র লাশ পুকুরে  নিয়ে যায়। সেখানে কচুরিপানার নিচে তার লাশ রেখে তারা চলে যায়।
এদিকে পুলিশ  শিপনের স্বীকারোক্তিতে রোববার খাদিমপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিহতের  চাচাতো ভাই সাকিবকে গ্রেফতার করে। এসময় শিপনের বাড়ি থেকে নিহত আলমগীরের ব্যবহৃত মোবাইল  উদ্ধার করে  পুলিশ। গ্রেফতার সাকিক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ। ওসি আরো জানায়, আরো কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে । এদিকে গ্রেফতার শিপন ও তার স্ত্রী ইভাকে গতকাল রোববার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। । প্রসঙ্গত,আলমডাঙ্গার খাদিমপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন গত ১০ অক্টোবর নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর তার ভাই আলমডাঙ্গা থানায় জিডি করেন। সন্দেহ করতে থাকে শিপনকে। এরই এক পর্যায়ে গত ৪ নভেম্বর গ্রামের একটি ডোবা থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।  কঙ্কালের পরনের একটি প্যান্ট দেখে তার স্বজনরা আলমগীরের লাশ বলে সনাক্ত করেন।