আলমডাঙ্গার আসাননগর গ্রাম থেকে চোরাই গরু  উদ্ধার 
আলমডাঙ্গা অফিসঃ আলমডাঙ্গার আসাননগর গ্রাম থেকে চোরাই গরু উদ্ধার হয়েছে । গত দুই মাসে একই এলাকা থেকে ৪ টি চোরাই গরু উদ্ধার  হয়েছে। পরে গরু মালিক  ফরিদপুর গ্রামের জানবার আলিকে বুঝিয়ে দেয় পুলিশ।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার ফরিদপুর গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে জানবার আলীর একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। গরুটি কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামের একটি বাঁশ বাগানের নিকট থেকে পুলিশ উদ্ধির করে। সংবাদ পেয়ে জানাবার আলী গরুটি পূলিশের কাছ থেকে নিয়ে যায়। এদিকে অভিযোগ উঠেছে গরুটি নুর আলীর বাড়িতে ছিল। ইতিপূর্বে ওই বাড়ি থেকে আরো কয়েকটি চোরাই গরু উদ্ধার হয় নুর হোসেনউপজেলার জেহালা ইউনিয়নের পুটিমারী গ্রামের ছেলে।  দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামের হোসেন মাস্টারের বাড়ি  ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে।
তার বিরুদ্ধে একধীক চুরির অভিযোগ আছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। গত ১২ বছর পূর্বে পুটিমারী গ্রামে বোমা হামলার ঘটনায় এজাহার ভুক্ত আসামী নুর হোসেন তার পর থেকেই গ্রাম ছেড়ে আসাননগর গ্রামে অবস্থান করছে।
তাকে নিয়ে ইতোপূর্বেও এলাকায় একাধিক মিটিং করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
গত দুই মাস পূর্বে উপজেলার বেলগাছি গ্রাম থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার গরু ও তার দশ দিন পর এলাহিনগর গ্রাম থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকার গরু চুরি হলে পুলিশ আসাননগর গ্রামের নুর ইসলামের বাড়ির সন্নিকট থেকে দুটি গরু পৃথক অভিযানে উদ্ধার করে।
এরই এক মাস পর আবারো ডাউকি ইউনিয়নের মাজু গ্রামের একজন কৃষকের গরু চুরি হয়। ওই গরুও একই এলাকার শশ্বান ঘাট থেকে উদ্ধার হয়। এরই এক পর্যায়ে গত ১৮ মার্চ রাতে বেলগাছি ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে জানবার আলীর গরুটি চুরি হলো।
এ ঘটনায় পাইকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসাননগর গ্রামে অভিযান চালায়। একটি বাগান থেকে গরুটি উদ্ধার করি।পরে, জানতে পারি বাগানের পাশেই নুর আলির বাড়িতে গরুটি বাধা ছিল।
তিনি আরো বলেন,আমরা জানতে পারি- রফিকুল ইসলাম কয়েক হাজার টাকার  নুর আলির নিকট থেকে টাকা নিয়েছে।  নুর আলি এখন পলাতক আছে।