আলমডাঙ্গা অফিস : রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে কোন অনুমোদন ছাড়াই ডেইরি ও ফিস ফিড তৈরীর প্রক্রীয়া করায়  আলমডাঙ্গায় শিপন আলী নামের একজনকে ভ্রাম্যমান আদালত জরিমানা করেছে । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে রোববার ভ্রাম্যমান আদালত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গোডাউনে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় ও মালামাল তৈরীর উপকরণ ধ্বংস করা হয়।জানা গেছে,আলমডাঙ্গার নাগদাহ গ্রামের মোশারেফ হোসেনের ছেলে শিপন আলী প্রায় এক মাস আগে আলমডাঙ্গার বাস টার্মিনালের আদুরে একটি গোডাউন ভাড়া নেয়। সে ওই স্থানে মেশিন বসিয়ে এসিড জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য,ডলোমাইন্ড চুন,মাটি জাতীয় পদার্থ মজুদ করে। সেখানে ভেজাল সার তৈরী হচ্ছে বলে প্রশাসনের কাছে সংবাদ আসে। সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সেখানে কাজ করা ৫ জন শিশু শ্রমিককে আটক করে। এ সময় পুলিশ বেশকিছু মালামাল জব্দ করে। শিশু শ্রমিকরা না বুঝে ওই কারখানায় কাজ করায় তাদের ন্বজনদের জিম্মায় মুক্তি দেয়া হয়।এদিকে রোববার এ কারখানার মালিক শিপনকে পুলিশ আটক করে। আটকের পর তাকে জিজ্ঞানাবাদ করলে সে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। কোন অনুমোদন ছাড়াই মৎস ও পশুখাদ্য উৎপাদনের কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। ঘটনাটি মৎস কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তাকে  জানানো হয়। এ সময় থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবির, মৎস কর্মকর্তা কামরুন্নাহার আখি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।  সংবাদ দেয়া হয় সহকারী কমিশনার ভূমি হুমায়ন কবিরকে। পরে অবৈধভাবে রাসায়নিক জাতীয় দাহ্য পদার্থ ও ডলোমাউন্ড চুন ব্যবহার করে মৎস ও পশুখাদ্য উৎপাদনের প্রক্রিয়া করার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে শিপন আলীর বিচার করা হয়। বিচারে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও এসব মালামাল ধ্বংস করা হয়।  এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি হুমায়ন কবির জানান,পরিদর্শনকালে আমরা দেখি রাসায়নিক জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্য আছে। তাছাড়া মাছের খাবার তৈরীর কোন উপকরণ ছিলনা। তাই আমরা অপরাধীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৫২ ধারায় জরিমানা ও এসব মালামাল ধ্বংস করা হয়।