কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি ছিলো সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে : জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর থেকে ৩ গুণ বেশি ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন। চুয়াডাঙ্গার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে ১৯৯১ সাল থেকে টানা ৩১ বছর কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করার পর এবারের পৌর নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি মেয়র নির্বাচিত হলেন। রাত সাড়ে ৯টায় এ ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেমদ। এদিকে, নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি এবং স্বতন্ত্র মোবাইল প্রতিকের প্রার্থী চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র বহিষ্কৃত যুগ্ন-আহবায়ক মজিবুল হক মালিক মজু। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করায় গতরাতে বিজয় মিছিল করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগ।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ৮০৮জন। এর মধ্যে ৪১ হাজার ৭২১জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৪১ হাজার ৬৪৫ জন এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৭৬টি।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি হেভিওয়েট প্রার্থীদের বাদ দিয়ে দু’দলই বর্তমান কাউন্সিলরদের মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়। তবে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছেন মজিবুল হক মজু। এবার আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী ও সাবেক মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম মনোনয়নের দৌড়ে ছিটকে পড়েন। প্রত্যাশিতভাবে দল থেকে মনোনয়ন পান চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন বোডের তালিকায় তিন জনের মধ্যে ২ নাম্বারে নাম যাওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন। অপরদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি। তবে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন-আহবায়ক মজিবুল হক মজু। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তানভীর আহমেদ মাসরিকী, অ্যাড. মনিবুল হাসান পলাশ এবং সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদ।
এছাড়া নির্বাচনে সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৩টি পদে মোট ১৩জন প্রার্থী এবং সাধারণ কাউন্সিলর ৯টি পদে ৬৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে, গেল বুধবার সকালে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন বেল্টু মারা যাওয়ায় ওই ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
গতকাল সোমবার সকাল ৮টায় প্রথম ধাপে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শহরের ৩৩টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ভোট গ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। প্রচ- শীতের কারণে সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারের উপস্থিতি বেড়ে যায়।
জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তারেক আহমেমদ জানান, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন পেয়েছেন ২২ হাজার ৩৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মজিবুল হক মালিক মজু মোবাইলফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬৫৭ ভোট। এছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ মাসরিকী কম্পিউটার প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত তুষার ইমরান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিবুল হাসান নারিকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৩০১ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ২৪২ ভোট।
সংরক্ষিত ওয়ার্ড: ১নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে শাহিনা আক্তার (চশমা) ৭ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুফিয়া খাতুন (আনারস) পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪৫ ভোট। ২নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সুলতানা আঞ্জু (আনারস) ৬ হাজার ৪১১ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসিমা খাতুন (টেলিফোন) ৪ হাজার ৬৩৭ ভোট। ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত শেফালী খাতুন (চশমা) পেয়েছেন ৯ হাজার ২৪৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোমেনা খাতুন (জবা ফুল) পেয়েছেন ১ হাজার ৪১১ ভোট।
সাধারণ ওয়ার্ড: ২নং সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত আব্দুল আজিজ জোয়ার্দ্দার মিন্টু (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৪০৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্সি মো. রেজাউল করিম খোকন (গাজর) পেয়েছেন ১ হাজার ৬ ভোট। ৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত মহলদার ইমরান (পানির বোতল) পেয়েছেন ১ হাজার ২৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহিদ হোসেন জুয়েল (ডালিম) পেয়েছেন ৫৬৪ ভোট। ৪নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত মাফিজুর রহমান মাফি (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ১ হাজার ৭৬৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ সেলিম (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৫ ভোট। ৫নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত মুন্সি আলাউদ্দিন আহম্মেদ (ব্রিজ) পেয়েছেন ১ হাজার ৫৭৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মস্তফা শেখ মাস্তার (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ২৩০ ভোট। ৬নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত ফরজ আলী শেখ (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ২ হাজার ২২৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজাদ আলী (পানির বোতল) পেয়েছেন ১ হাজার ৯১২ ভোট। ৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত উজ্জ্বল হোসেন (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ১ হাজার ৬৩৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল আরিফ বিশ্বাস (ব্ল্যাকবোর্ড) পেয়েছেন ১ হাজার ১০৬ ভোট। ৮নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত সাইফুল ইসলাম (গাজর) পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩০, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ শেখ (ব্ল্যাকবোর্ড) পেয়েছেন ১ হাজার ৯১ ভোট। ৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত কামরুজ্জামান চাঁদ (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ৮৯২, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মফিজুর রহমান মনা (ব্রিজ) পেয়েছেন ৫৬৩ ভোট।
জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তারেক আহমেমদ জানান, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচনের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কাজ করেছে ১২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুলিশের একাধিক টিমের পাশাপাশি মাঠে কাজ করেছে র‌্যাব ও আনসার বাহিনী। এছাড়া দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিলো।
অনিয়মের অভিযোগ: চুয়াডাঙ্গা পৌর নির্বাচনে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন দু’জন মেয়র প্রার্থী। তারা বলেছেন, আমাদের পোলিং এজেন্টদের বাইরে বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা ইচ্ছে মতো তাদের নৌকা প্রতীকে ভোট নিয়ে নিয়েছেন। তবে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন বলেছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চুয়াডাঙ্গায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি অভিযোগ করে বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয় আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা। ভোটারদের ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়ার পর ভোটারকে বের করে দিয়ে দলীয় লোকজন নিজে নৌকায় ভোট দেয়।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মজিবুল হক মালিক মজু অভিযোগ করেন, ‘চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার প্রায় সব কেন্দ্র থেকেই মোবাইলফোন প্রতীকের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নেয়। কোনো কোনো ভোটারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়ার পর গোপনকক্ষে ঢুকতেই দেয়নি। প্রিসাইডিং অফিসারদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। পুলিশও ছিলো নিষ্ক্রিয়।’
জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’ চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চার স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে ছিলেন।
আনন্দ মিছিল: এদিকে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন নৌকায় জয়লাভ করায় চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি বিজয় মিছিল করা হয়। মিছিলটি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিকের নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করে পুনরায় জেলা আওয়ালী লীগের কার্যালয়ে ফিরে আসে। গতকাল রাত ৮টার দিকে এই বিজয় মিছিল বের হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. সাহাবুল হোসেন, সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, সাবেক সহ-সম্পাদক বাপ্পি, সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রিমন হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি জাবিদুল ইসলাম জাবিদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল মল্লিক, সাবেক স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, ছাত্রনেতা তানভির আহম্মেদ সোহেল, বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ চুয়াডাঙ্গার সাংগঠনিক সম্পাদক বরকত হাসান জোয়ার্দ্দার, ছাত্রপরিষদ চুয়াডাঙ্গার সাবেক আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রানা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রেদওয়ান আহম্মদে রানা, টোকন, মোমিন, জান্নাত, হোস্টেল ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা, আলিফ নুর, ইসরাইল, মিরাজ, রহিম, রবিন, কবির, কলেজ ছাত্রলীগের তরুণ ছাত্রনেতা হিরক, পাভেল, মিঠুন, সোহাগ, রিমন, রাজিব, সাব্বির, রাজু, ইমন, শাওন, রাব্বি, রাতুল, ফিরোজ, শাওন, আফরিজ, রিংকু, উজ্জল, আলামিন, তাজ, মেশা, অভি, রকি, বাধন, ইভন, আলিফ, বাবুল, সালামিন, মানিক প্রমুখ।
মেয়র পদে ৯টি ওয়ার্ডের ৩৩ কেন্দ্রের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল: ১নং ওয়ার্ডে ভিমরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৭৮৮ ভোটের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ১ হাজার ৬২ ভোটার। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৬৩, কম্পিউটার ৫, হাতপাখা ৪৩, মোবাইলফোন ১২৬, নারিকেল গাছ ৯, ধানের শীষ ৩১২, জগ ৪ ভোট। হাটকালুগঞ্জ পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২ হাজার ৩১৭ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৪১৫ জন। বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এই কেন্দ্রে প্রাপ্ত ভোট নৌকা ৫৯৩, কম্পিউটার ১৩, হাতপাখা ৩৩২, মোবাইলফোন ১৬০, নারিকেল গাছ ৩, ধানের শীষ ৩০৬, জগ ৬ ভোট। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৬০ ভোটের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ১৭৪ ভোটার। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে প্রাপ্ত ভোট নৌকা ৩৯৮, কম্পিউটার ১২, হাতপাখা ১৮২, মোবাইলফোন ৪৫৭, নারিকেল গাছ ৩, ধানের শীষ ১১৩, জগ ৮ ভোট। কেদারগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোট ২ হাজার ৩৮ ভোটারের মধ্যে পোল হয়েছে ১ হাজার ৮৯ ভোট। বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৪১২, কম্পিউটার ২০, হাতপাখা ১৮৭, মোবাইলফোন ৩৫২, নারিকেল গাছ ৬, ধানের শীষ ১০১, জগ ৯ ভোট পেয়েছে।
২নং ওয়ার্ডে বনানীপাড়া বুজরুকগড়গড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ২ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ১ হাজার ২১২ ভোটার। বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৮৮, কম্পিউটার ১৪, হাতপাখা ১৪৯, মোবাইলফোন ৮৪, নারিকেল গাছ ১১, ধানের শীষ ৩৫৮, জগ ৬ ভোট পেয়েছে। সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৯০৩ ভোটারের মধ্যে প্রয়োগ করেছে ১১৮৪ জন। বাতিল হয়েছে ৩ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫২৫, কম্পিউটার ১০, হাতপাখা ১৪৯, মোবাইলফোন ১১৬, নারিকেল গাছ ১৩, ধানের শীষ ৩৫৯, জগ ৯ ভোট পেয়েছে। আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২২৩ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৭৫১ জন। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ২৩৪, কম্পিউটার ৭, হাতপাখা ১৯১, মোবাইলফোন ১৪৭, নারিকেল গাছ ৮, ধানের শীষ ১৫৮, জগ ৫ ভোট পেয়েছে। সুমিরদিয়া পুটে মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৭৮০ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ হাজার ৬ জন। বাতিল হয়েছে ৮ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৭০৬, কম্পিউটার ১১, হাতপাখা ৫৭২, মোবাইলফোন ১১৮, নারিকেল গাছ ১০, ধানের শীষ ৫৭৩, জগ ৮ ভোট পেয়েছে।
৩নং ওয়ার্ডে ঝিনুক বিদ্যাপীঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৬০২ ভোটারের মধ্যে প্রয়োগ করেছেন ৮৪০ জন। বাতিল হয়েছে ৩ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৪৪৫, কম্পিউটার ৯, হাতপাখা ৭০, মোবাইলফোন ১৯০, নারিকেল গাছ ১১, ধানের শীষ ১১০, জগ ২ ভোট পেয়েছে। ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৭২১ ভোটারের মধ্যে প্রয়োগ করেছেন ৭৯০জন। বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৪০৩, কম্পিউটার ৩, হাতপাখা ৭৭, মোবাইলফোন ১৪৫, নারিকেল গাছ ৭, ধানের শীষ ১৫১, জগ ২ ভোট পেয়েছে। ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২ হাজার ৮৩৫ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ২০২ জন। বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৭৫৭, কম্পিউটার ৫, হাতপাখা ৮৩, মোবাইলফোন ২০৩, নারিকেল গাছ ৭, ধানের শীষ ১৩৮, জগ ৭ ভোট পেয়েছে।
৪নং ওয়ার্ডে রেলবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৭৬ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৩৩৪ জন। বাতিল ২। এই কেন্দ্রে নৌকা ১ হাজার ২৮, কম্পিউটার ৭, হাতপাখা ৮০, মোবাইলফোন ১৯৩, নারিকেল গাছ ০, ধানের শীষ ২০, জগ ৪ ভোট পেয়েছে। মাস্টারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ১১ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৩৫৫ জন। বাতিল ২। এই কেন্দ্রে নৌকা ১ হাজার ৫৩, কম্পিউটার ৫, হাতপাখা ৭০, মোবাইলফোন ১৬৫, নারিকেল গাছ ৩, ধানের শীষ ৪২, জগ ১৫ ভোট পেয়েছে। রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমি কেন্দ্রে ২ হাজার ২৮৬ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ১ হাজার ৩২৯ জন। এই কেন্দ্রে নৌকা ১ হাজার ৮০, কম্পিউটার ১৪, হাতপাখা ৫৪, মোবাইলফোন ১২৯, নারিকেল গাছ ২, ধানের শীষ ৩৪, জগ ১৬ ভোট পেয়েছে।
৫নং ওয়ার্ডে পশুহাট মতিয়ার রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৭৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৫৪২ জন। এই কেন্দ্রে নৌকা ৪৪৪, কম্পিউটার ১০, হাতপাখা ৩২, মোবাইলফোন ৪৩, নারিকেল গাছ ২, ধানের শীষ ১০, জগ ১ ভোট পেয়েছে। ইসলামপাড়া পৌর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২ হাজার ৬৬৫ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৮০৯ জন। বাতিল হয়েছে ৪ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ১২২৮, কম্পিউটার ২৯, হাতপাখা ২২৪, মোবাইলফোন ২১২, নারিকেল গাছ ৭, ধানের শীষ ৮৩, জগ ২২ ভোট পেয়েছে।
৬নং ওয়ার্ডে পৌর কলেজ কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৭৬ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৫০২ জন। বাতিল ৫। এই কেন্দ্রে নৌকা ৮০৫, কম্পিউটার ২৮, হাতপাখা ২২৭, মোবাইলফোন ৩৭৫, নারিকেল গাছ ৬, ধানের শীষ ৩৯, জগ ১৭, ভোট পেয়েছে। রেলপাড়া ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬১১ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৯২০ জন। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৫৬, কম্পিউটার ৩, হাতপাখা ৪১, মোবাইলফোন ২৯১, নারিকেল গাছ ১০, ধানের শীষ ১৬, জগ ২ ভোট পেয়েছে। হাজরাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৭১৭ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৯২৯ জন। বাতিল ৪ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৯০২, কম্পিউটার ২১, হাতপাখা ২০২, মোবাইলফোন ৩৭০, নারিকেল গাছ ১৬, ধানের শীষ ৪০৫, জগ ৯ ভোট পেয়েছে। হাজরাহাটি অঙ্গীকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৭৫৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ হাজার ৭৬ জন। বাতিল হয়েছে ৮ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৮৮৭, কম্পিউটার ১৪, হাতপাখা ২২০, মোবাইলফোন ৪৩৩, নারিকেল গাছ ১৫, ধানের শীষ ৪৮৯, জগ ১০ ভোট পেয়েছে। তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৩৩ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ হাজার ৩১১ জন। বাতিল ৫। এই কেন্দ্রে নৌকা ১৬২১, কম্পিউটার ১৫, হাতপাখা ১৬৪, মোবাইলফোন ৪০০, নারিকেল গাছ ১০, ধানের শীষ ৮৮, জগ ৮ ভোট পেয়েছে।
৭নং ওয়ার্ডে সাতগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩ হাজার ৩১১ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ২ হাজার ১৯১জন। বাতিল ৪। এই কেন্দ্রে নৌকা ১ হাজার ৮২, কম্পিউটার ১৪, হাতপাখা ৩৫৫, মোবাইলফোন ৬২৩, নারিকেল গাছ ৯, ধানের শীষ ৯৫, জগ ৯ ভোট পেয়েছে। এমএ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৮১ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৩১১ জন। বাতিল ৪। এই কেন্দ্রে নৌকা ৪৬২, কম্পিউটার ১৭, হাতপাখা ৮১, মোবাইলফোন ৬৩২, নারিকেল গাছ ৪, ধানের শীষ ১০০, জগ ১১ ভোট পেয়েছে। কুলচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৪৩ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ৬০ জন। বাতিল ২। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৩৪, কম্পিউটার ১০, হাতপাখা ৯৯, মোবাইলফোন ৩৮৯, নারিকেল গাছ ৫, ধানের শীষ ১৫, জগ ৬ ভোট পেয়েছে। দিগড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ২৬৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৯৪১ জন। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৬১০, কম্পিউটার ১১, হাতপাখা ৫১, মোবাইলফোন ২২৬, নারিকেল গাছ ৬, ধানের শীষ ২৯, জগ ৭ ভোট পেয়েছে।
৮নং ওয়ার্ডে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৫৯ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ১ হাজার ১৮৯ জন। এই কেন্দ্রে নৌকা ৬০৪, কম্পিউটার ৫৫, হাতপাখা ১২৪, মোবাইলফোন ২৭৮, নারিকেল গাছ ৬, ধানের শীষ ১১৯, জগ ৩ ভোট পেয়েছে। ফার্মপাড়া খাদেমুল ইসলাম মাদরাসা কেন্দ্রে ২ হাজার ২০২ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ হাজার ২৭৫জন। বাতিল ১। এই কেন্দ্রে নৌকা ৭৮৫, কম্পিউটার ১৭, হাতপাখা ১১৮, মোবাইলফোন ১৪১, নারিকেল গাছ ৭, ধানের শীষ ১৯৯, জগ ৭ ভোট পেয়েছে। বেলগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩ হাজার ২৫২ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ হাজার ২১৫ জন। বাতিল হয়েছে ৩ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৭২৮, কম্পিউটার ৫২, হাতপাখা ১৭৯, মোবাইলফোন ৭৭, নারিকেল গাছ ৩৪, ধানের শীষ ১ হাজার ১৩০, জগ ১২ ভোট পেয়েছে। চুয়াডাঙ্গা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মুসলিমপাড়া কেন্দ্রে ৫৬৩ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে ৩৫৪ জন। এই কেন্দ্রে নৌকা ১৩৫, কম্পিউটার ৩, হাতপাখা ৯০, মোবাইলফোন ২৭, নারিকেল গাছ ৩, ধানের শীষ ৯৪, জগ ২ ভোট পেয়েছে।
৯নং ওয়ার্ডে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ (এক্সজামিনেশন হল কাম একাডেমি ভবন-মহিলা ভোট কেন্দ্র) কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৭৮৮ জন। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৩৮, কম্পিউটার ৩, হাতপাখা ৩৮, মোবাইলফোন ১২৩, নারিকেল গাছ ২৬, ধানের শীষ ৫৫, জগ ৫ ভোট পেয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ (ব্যবসায় প্রশাসন ভবন-পুরুষ ভোট কেন্দ্র) কেন্দ্রে ১ হাজার ৪০৪ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৭৭৯ জন। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৫৪, কম্পিউটার ৩, হাতপাখা ৩৬, মোবাইলফোন ১০৯, নারিকেল গাছ ২৯, ধানের শীষ ৪২, জগ ৫ ভোট পেয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ (একাডেমি ভবন) কেন্দ্রে ২ হাজার ৭২ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৮৩৪ জন। বাতিল ২ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫৫৪, কম্পিউটার ৬, হাতপাখা ২৯, মোবাইলফোন ১২৫, নারিকেল গাছ ৪, ধানের শীষ ১১৩, জগ ১ ভোট পেয়েছে। রিজিয়া খাতুন প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন) কেন্দ্রে ২ হাজার ১ ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৯৫২ জন। বাতিল হয়েছে ১ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকা ৫২৫, কম্পিউটার ৭, হাতপাখা ৪৮, মোবাইলফোন ১৯৮, নারিকেল গাছ ৯, ধানের শীষ ১৬০, জগ ৪ ভোট পেয়েছে।